অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তালিবানের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের দাবি মানবাধিকার সংস্থার



আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালিবানের নেতৃস্থানীয়দের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি “পুনর্বিবেচনা” করতে জাতিসংঘকে অনুরোধ জানিয়েছে এক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। এর মাধ্যমে তাদেরকে সকল আফগান, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে চাপ প্রয়োগ করতে চায় তারা।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলে, আফগানিস্তানে অগাস্টে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে “এক গুরুতর মানবাধিকার সংকট উন্মোচিত হয়ে চলেছে”।

সংস্থাটি বলে যে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এই মাসের শেষের দিকে এই ইসলামি গোষ্ঠীর ভ্রমণ সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞার অব্যাহতিগুলো পর্যালোচনা করবে। তাই তাদের “একটি সুযোগ রয়েছে যে নির্দিষ্ট কিছু তালিবান নেতাদের নিষেধাজ্ঞা আবারও খতিয়ে দেখার, যারা কিনা অধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর ঘটনায় জড়িত”।

কাবুলে তালিবানের বর্তমান প্রশাসনের ৪১ জন এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত। নিষেধাজ্ঞাটি তিন বছর আগে আংশিকভাবে রহিত করা হয়, যাতে করে কট্টরপন্থী তৎকালীন এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ১৪ জন শীর্ষ নেতা শান্তি আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে সফর করতে পারেন।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, গণবিমুখ তালিবান প্রধান হিবাতুল্লাহ আখুন্দাজার কথা উল্লেখ করে। জানামতে তিনি মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষায় নিষেধাজ্ঞা আরোপে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।

সংস্থাটি আব্দুল-হক ওয়াসিক এর কথাও বলে। তিনি তালিবানের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান। এছাড়াও অনৈতিকতা ও নৈতিকতা সম্পর্কিত মন্ত্রকের প্রধান শাইখ মুহাম্মাদ খালিদ হানাফির কথাও উল্লেখ করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

ওয়াসিকের বিরুদ্ধে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং সাংবাদিকদের আটক করা ও প্রহারের আদেশ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে, হানাফির মন্ত্রক নারী ও মেয়েদের উপর “সবচেয়ে জঘন্য বিধিনিষেধের অনেকগুলো” আরোপ করেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়। তালিবানের মত অনুযায়ী ইসলামকে ব্যাখ্যা করা ও তা প্রয়োগ করা ঐ মন্ত্রকের কাজ।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।