অস্ট্রেলিয়ার নতুন সরকারের প্রধান উদ্বেগ: জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনীতি 



অস্ট্রেলিয়ার নতুন মধ্য-বামপন্থী সরকারের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসাবে দেখা দিচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনীতি ২১শে মে নির্বাচনের প্রায় দুই সপ্তাহ পরে ডাক মারফত যারা ভোট দিয়েছেন তা গণনার পরে লেবার পার্টি এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট আসনে জিতেছে। মন্ত্রিসভায় এসেছেন রেকর্ড সংখ্যক নারীও।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ বলেন, “আমাদের ইতিহাসে যে কোনো সরকারি দলের কক্ষের (মন্ত্রীসভার) চেয়ে এটা অনেক বেশি প্রতিনিধিত্বমূলক। আমরা এ ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছি।

২৩ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ১০ জন নারী রয়েছেন। বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন যে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে পুরুষ-শাসিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই নিয়োগগুলোলিঙ্গ সমতা উন্নত রার সুযোগ তৈরি করেছে।

বয়স্ক সেবা এবং ক্রীড়া বিষয়ক নতুন মন্ত্রী আনিকা ওয়েলস বলেছেন, তিনি সামনে যে কাজ রয়েছে তার জন্য প্রস্তুত। তিনি বলেন, “আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি, আলবানিজের লেবার সরকার যে আমাকে এত বড় সংস্কার সাধনের কাজ দিয়েছেন এবং আমি সত্যিই শুরু করার জন্য উন্মুখ।

২১ শে মে-র নির্বাচনে জীবনযাত্রার ব্যয়েরচাপ ভোটারদের জন্য গভীর উদ্বেগের একটি বিষয় ছিল। কভিড-১৯ মহামারির কারণে সময় ব্যাপক কর্মসংস্থান ও দিনমজুরিতে ভর্তুকির দেওয়ার ফলে অস্ট্রেলিয়া রেকর্ড পরিমাণ সরকারি ঋণের ভেতরে পড়েছে।

সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক স্টুয়ার্ট জ্যাকসন বলেছেন,সরকারের অভ্যন্তরীণ প্রধান ক্ষ্য হবে অর্থনীতি পরিচালনা করা

তিনি বলেন, “লেবার দল এখন সবচেয়ে বড় যে অভ্যন্তরীণ উদ্বেগের মুখোমুখি হচ্ছে তা হলো বাজেট এবং নিজেদেরকে ধীরে ধীরে অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মাঝে দেখা

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে অস্ট্রেলিয়া প্রতিহত করার চেষ্টা করেছে। সম্প্রতি বেইজিং সলোমন দ্বীপপুঞ্জের সাথে একটি নিরাপত্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে তবে চীন অন্যান্য দ্বীপ রাষ্ট্রগুলিকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক চুক্তিতে যোগ দেয়ানোর চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে।

এই সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়া তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়াংকে সামোয়া ও টোঙ্গায় পাঠিয়েছে।

জ্যাকসন বিশ্বাস করেন যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে ক্যানবেরার প্রতিশ্রুতিলেবার সরকারের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হবে।

তিনি বলেন, “অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির অনেকের জন্য সমস্যা জনক সুতরাং, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার পদক্ষেপগুলি আসলে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এবং অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার সাথে কাছের প্রতিবেশী রাষ্ট্রেরদ্বান্দ্বিক সম্পর্কেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে

অস্ট্রেলিয়ায় মাত্র একজন নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে নতুন সংসদটিতে রয়েছে রেকর্ড সংখ্যক আদিবাসী সদস্যসহ এশিয়ান বংশদ্ভুতের সংমিশ্রণে বৈচিত্র্যময় এবং সংসদে এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে লেবার দলের জন্য নীতিনির্ধারণী কর্মসূচীবাস্তবায়ন করা সহজ হবে।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।