ইউক্রেনের বোমা বিধ্বস্ত সিভিরোডনেটস্কে ব্যাপক লড়াইয়ের খবর পাওয়া গিয়েছে



সিভিরোডনেটস্কে রাস্তায় রাস্তায় প্রবল লড়াই এবং দিন-রাত গোলাবর্ষণের মধ্যেও ইউক্রেনের বাহিনী নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এদিকে, বোমাবিধ্বস্ত শহরটির দখল নিতে চেষ্টা করছে রাশিয়া। পূর্ব ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই শহর তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সিভিরোডনেটস্ক এবং এর জমজ শহর লিসিশ্যাঙ্কস, এবং ডনেটস নদীর ঠিক অপর পারের শহর সিভেরস্কি লুহানস্ক প্রদেশে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে থাকা শেষ ভূখণ্ড। যুদ্ধের প্রধান নীতির অংশ হিসেবে পুরো লুহানস্ক এর নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় রাশিয়া।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ওলেক্সি ডানিলভ বৃহস্পতিবার বলেন, “সিভিরোডনেটস্ক এর পরিস্থিতি ‘অত্যন্ত জটিল’এবং রুশ বাহিনী ঐ এলাকায় তাদের সকল শক্তি প্রয়োগ করছে।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডানিলভ বলেন, “তারা তাদের লোকদেরও ছাড় দিচ্ছে না, তারা কামানের গোলার খাদ্য হিসেবে তারা সৈন্য পাঠিয়েই যাচ্ছে … তারা দিন-রাত আমাদের সামরিক বাহিনীর উপর গোলাবর্ষণ করছে।”

ইউক্রেন জানায় যে, ছোট ঐ শিল্পনগরীর পরিস্থিতি নিজেদের অনুকুলে আনতে তাদের একমাত্র ভরসা হল আরও আর্টিলারি যুদ্ধাস্ত্র, যাতে করে তারা রাশিয়ার ব্যাপক অস্ত্রসম্ভারের মোকাবেলা করতে পারে।

ঐ শহর থেকে পাওয়া এক বিরল খবরে, ইউক্রেনের সভোবোদা ন্যাশনাল গার্ড ব্যাটালিয়নের কমান্ডার পেটরো কুসিক বলেন যে, “ইউক্রেনীয়রা রুশদেরকে আর্টিলারি সুবিধা ব্যবহার থেকে নিরস্ত করতে, রাস্তায় লড়াই করতে বাধ্য করছে।”

তবে, তিনি এও জানান যে, “রুশ কামানগুলো ধ্বংস করতে হলে নিজস্ব কামানের প্রয়োজন। কিন্তু ইউক্রেনের বাহিনী ‘সর্বনাশা’ অভাবে মধ্যে রয়েছে।” তিনি আরও বলেন যে, “এমন অস্ত্র পেলে যুদ্ধক্ষেত্রের চেহারা পাল্টে যাবে।”

রয়টার্স যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পাওয়া প্রতিবেদনগুলো যাচাই করতে সক্ষম হয়নি।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।