ইউক্রেনের সিভিরোডনেটস্ক-এর রাস্তায় রাস্তায় প্রচণ্ড লড়াই



ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের সিভিরোডনেটস্ক শহরে প্রবল লড়াই চলছে। সেখানে ইউক্রেনের বাহিনীগুলো রাশিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য মরণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সেখানকার পরিস্থিতিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি “অবর্ণনীয়রূপে কঠিন” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে তিনি সিভিরোডনেটস্ক দখল করাকে “দখলদারদের এক প্রাথমিক উদ্দেশ্য” হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে শহরটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া ঠেকাতে যথাসম্ভব সবকিছুই ইউক্রেন করছে।

টেলিফোনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিভিরোডনেটস্ক-এর মেয়র, ওলেকসান্দার স্ট্রিউক দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেন যে, রুশ সৈন্যরা শহরে প্রবেশ করেছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়েছে এবং “শহরটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে”।

মেয়র বলেন, “হামলার শিকার মানুষের সংখ্যা প্রতি ঘন্টায়ই বেড়ে চলেছে, তবে রাস্তায় লড়াই চলতে থাকায় আমরা নিহত ও আহতদের গণনা করতে পারিনি।” স্ট্রিউক বলেন যে, ১২,০০০ থেকে ১৩,০০০ বেসামরিক মানুষ এখনও শহরে থেকে গিয়েছেন, যেখানে কিনা এক সময়ে ১,০০,০০০ মানুষের বসবাস ছিল। অবশিষ্ট মানুষজন রাশিয়ার হামলা থেকে বাঁচতে বেজমেন্ট ও বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়ে আছেন।

স্ট্রিউক অনুমান করছেন যে, যুদ্ধ আরম্ভের পর থেকে রাশিয়ার আক্রমণ এবং ওষুধ ও চিকিৎসার অভাবে ১,৫০০ জন বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন।

লুহানস্ক এর গভর্নর সার্হে হাইদাই বলেন যে, রুশ সৈন্যরা “বারবার একই কৌশল ব্যবহার করে। তারা কয়েকঘন্টা ধরে গোলাবর্ষণ করে – একটানা তিন, চার, পাঁচ ঘন্টা ধরে – আর তারপর আক্রমণ চালায়। যারা আক্রমণ করে তারা মারা যায়। তারপর গোলাবর্ষণ ও আক্রমণ আবারও চালানো হয়, এটা ততক্ষণ চলতে থাকে যতক্ষণ না তারা কোথাও দিয়ে প্রবেশ করতে পারে।”

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গে ল্যাভরফ, ফ্রান্সের টিএফওয়ান টেলিভিশনকে রবিবার বলেন যে, রাশিয়ার “শর্তহীন অগ্রাধিকার হল ডনেটস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলগুলোর মুক্তি”। তিনি আরও বলেন যে, রাশিয়া এগুলোকে “স্বাধীন রাষ্ট্র” হিসেবে বিবেচনা করে।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।