ইয়াঙ্গুন বোমা হামলার জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও বিরোধী পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করেছে



গত বছর এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলকারী মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, মঙ্গলবার ইয়াঙ্গুনের একটি বাস স্টপে মারাত্মক বোমা হামলার জন্য বুধবার বিরোধী “সন্ত্রাসীদের” দায়ী করেছে। তবে নির্বাসিত সরকারের সদস্যরা এতে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এবং সামরিক বাহিনীকেই ওই হামলার জন্য দায়ী করেছেন।

বিস্ফোরণে অন্তত একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে প্রাপ্ত ছবি এবং ভিডিওতে বিস্ফোরণের কাছাকাছি জায়গায় আহতদের ফুটপাতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

মঙ্গলবার পূর্ব মিয়ানমারে একটি শিক্ষা অফিসে দ্বিতীয় আরেকটি মারাত্মক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং সরকারী বাহিনী দ্বারা তাদের উপর সহিংস দমন-পীড়ন চালানোর পর থেকে অনেক অস্থিরতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় অন্তত প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যদিও প্রথম দিকে বিক্ষোভগুলি শান্তিপূর্ণ ছিল, এরপর ধীরে ধীরে সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ বেড়ে যায়। জাতিসংঘের কিছু বিশেষজ্ঞ দেশটি একটি গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের জ্যেষ্ঠ সংকট উপদেষ্টা রাওয়ায়া রাগেহ এক সংবাদ বিবৃতিতে বলেছেন, “গত বছরের অভ্যুত্থানের পর থেকে বিশ্বের মনোযোগ হয়তো মিয়ানমার থেকে সরে গেছে, কিন্তু বেসামরিক নাগরিকরা এ জন্য এখনো বেশ চড়া মূল্য দিয়ে যাচ্ছে।”

[ এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি এবং রয়টার্স থেকে নেয়া ]



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।