উত্তর কোরিয়ায় কোভিড-১৯ টিকাদান পরিকল্পনা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন



উত্তর কোরিয়ায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। তাই কেবল টিকা মজুদ থাকলেও দেশব্যাপী টিকাদান প্রক্রিয়া চালু করার জন্য তা অপর্যাপ্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তর কোরিয়ায় টিকাদান প্রক্রিয়ার জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত কর্মীর প্রয়োজন; যার অভাব দেশটিতে প্রকট।

১২ মে উত্তর কোরিয়া প্রথম ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কথা জানায়। পিয়ংইয়ং প্রাদুর্ভাবের কথা স্বীকার করার আগ পর্যন্ত ২০২০ সালের প্রথম দিকে বিশ্বব্যাপী মহামারীর প্রাদুর্ভাবের সময় দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা শূন্য বলে দাবি করা হচ্ছিল।

গ্লোবাল টিকা বিতরণ নেটওয়ার্ক গ্যাভি ভয়েস অফ আমেরিকা কোরিয়া বিভাগকে বলেছে, উত্তর কোরিয়া “চীনের টিকার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে এবং টিকা দেয়া শুরু করেছে।“

পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া বা গ্যাভির মতো আন্তর্জাতিক টিকা সরবরাহকারী প্রোগ্রাম থেকে টিকা গ্রহণ করেনি।

মুর বলেন, চীনা টিকা এবং নোভাভ্যাক্সকে অবশ্যই ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে রাখতে হবে।

উত্তর কোরিয়ায় ডব্লিউএইচও এবং ইউনিসেফের প্রাক্তন প্রকল্প ব্যবস্থাপক নাগি শফিক বলেছেন, “যদি আমরা এমআরএনএ টিকা (যেমন) ফাইজার বা মডার্না ব্যবহার করি, (উত্তর কোরিয়ায়) অতি ঠাণ্ডা ফ্রিজের প্রয়োজন হবে যা ইউনিসেফ সরবরাহ করতে পারে। অন্যান্য দেশে তারা এমন ফ্রিজ সরবরাহ করেছে।”

ভয়েস অফ আমেরিকা কোরিয়া বিভাগ জাতিসংঘে উত্তর কোরিয়ার মিশনের সাথে যোগাযোগ করে জিজ্ঞেস করেছিল যে, প্রদান করা হলে তারা এমআরএনএ টিকাগুলো গ্রহণ করতে ইচ্ছুক কিনা, কিন্তু কোনো উত্তর পায়নি।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।