উন্নত দেশে পরিণত হতে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত করার রূপকল্প বাস্তবায়নে, জাপান ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমি আশা করি, ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে, জাপান ও জাইকা আমাদের সঙ্গে থাকবে।”

বাংলাদেশ ও জাইকার মধ্যে সহযোগিতার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই ২০২৬ সালে একটি উন্নয়নশীল দেশে স্নাতক হওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছে।”

২০১৪ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করে, শেখ হাসিনা বলেন, “ তখন উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করতে আমরা ‘জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিত অংশীদারিত্ব’ চালু করেছি। আমাদের ব্যাপক অংশীদারিত্ব এখন অদূর ভবিষ্যতে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হওয়ার জন্য প্রস্তুত।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও জাপান সেই মূল্যবোধ ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং এগিয়ে চলেছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আন্তরিকতা, বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রধান মানদণ্ড।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় থেকে, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে।আমাদের মুক্তিযুদ্ধে জাপান ও দেশটির জনগণের অমূল্য সমর্থন ও অবদানের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে টোকিওতে তার প্রথম সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা স্বীকার করি যে, জাপান আমাদের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু ও একক বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী।”



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।