কুড়িগ্রামে নতুন করে প্লাবিত ১৫ গ্রাম, পানিবন্দী ৩৫ হাজার মানুষ



সাম্প্রতিক ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায়, বাংলাদেশের কুড়িগাম জেলার রৌমারী উপজেলার প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

সোমবার (১৩ জুন) রৌমারী উপজেলার দাতভাঙ্গা ইউনিয়নের ১৫ গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে।

নতুন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হলো; চর গয়টা পাড়া, তেকানী গ্রাম, চর-কাউয়ারচর, চর বোয়লমারী, ওকড়াকান্দা, শৌলমারী, মোল্লারচর, কড়াইকান্দি, মির্জাপাড়া, গোয়লগ্রাম, নতুন চুলিয়ারচর, বকবান্দা, বিক্রিবিল, আলগারচর ও কাশিয়াবাড়ি।

খাদ্য ও পানীয় জলের অভাব বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। এছাড়া, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় এই এলাকার ২৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী জুবায়ের জানান, “সাম্প্রতিক বন্যায় শৌলমারী, রৌমারী ও যাদুরচর ইউনিয়নের ২২ কিলোমিটার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত গভীর পানির মধ্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য মানুষ নৌকা ব্যবহার করছে।”

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, “জিঞ্জিরাম, ধরনী ও কালজানি নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় সমগ্র উপজেলা। এই উপজেলায় ২৮৩ হেক্টর ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।”

রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান জানান, “টানা বর্ষণে উপজেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার্তদের ত্রাণসামগ্রী দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত তিন লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে।”

আজিজুর রহমান আরও জানান, “ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে আরও ত্রাণ দেয়া হবে।”



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।