ড. ইউনূসের মামলার কার্যক্রম দুই মাস স্থগিত থাকবে: আপিল বিভাগ



প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শান্তিতে নোবেল জয়ী, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে, শ্রম আদালতে করা মামলার বিচারিক কার্যক্রম দুই মাস স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের একটি বেঞ্চ।

এই সময়ে মধ্যে, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলা কেন বাতিল হবে না, এই মর্মে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে, বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুন) আগের আদেশ সংশোধন করে, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত ৭ জুন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলার কার্যক্রম বাতিলে জারি করা রুল, দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগের এই বেঞ্চ।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। মামলার অন্য অভিযুক্তরা হলেন; গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুর জাহান বেগম ও শাহজাহান।

ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে এ মামলা করেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। বিবাদীদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে তারা শ্রম আইনের কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান। এর মধ্যে, ১০১ জন শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার কথা থাকলেও তাদের স্থায়ী করা হয়নি। শ্রমিকদের অংশগ্রহণের তহবিল ও কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়নি। এ ছাড়া কোম্পানির লভ্যাংশের ৫ শতাংশ শ্রমিকদের দেয়ার কথা থাকলেও, তা তাদের দেয়া হয়নি।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা হয়।

পরে, শ্রম আদালতে করা মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনুস। ওই আবেদনের শুনানি করে গত ১২ ডিসেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, মামলা কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

এর পর, হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে, আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।