পূর্ব ইউক্রেনের সিভিরোডনেটস্ক রাসায়নিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে রাশিয়া



রুশ বাহিনী রবিবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিভিরোডনেটস্কে শত শত সৈন্য ও বেসামরিক নাগরিক আশ্রয় নেয়া একটি রাসায়নিক প্ল্যান্টে বোমাবর্ষণ করেছে। তবে লুহানস্ক-এর আঞ্চলিক গভর্নর বলেছেন, প্ল্যান্টটি এখনো ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গভর্নর, সের্হি হাইদাই, এটিকে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের “মিথ্যা” প্রচার বলে অভিহিত করেছেন যে, ৩০০ থেকে ৪০০ ইউক্রেনীয় সেনা আজোট বিল্ডিং কমপ্লেক্সে কয়েকশ বেসামরিক লোকের সাথে আটকা পড়ে আছে।

হাইদাই বলেছেন, “প্ল্যান্টের আশেপাশে গুলি চালানো হচ্ছে। এছাড়া শহরের উপকণ্ঠে, প্ল্যান্টের কাছের রাস্তায় দুপক্ষের মধ্যে লড়াই চলছে।” তিনি বলেন, রাশিয়ার গোলাবর্ষণের সময় শনিবার কারখানাটিতে বড় ধরনের আগুন লেগে যায়।

রাশিয়া দাবি করেছে যে তারা ইতিমধ্যে লুহানস্ক প্রদেশের ৯৭% নিয়ন্ত্রণ করেছে।

যদিও রাশিয়া ইতিমধ্যেই লুহানস্ক অঞ্চলের বিশাল নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একজন ঊর্ধ্বতন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা শনিবার বলেছেন, মস্কো আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সম্ভবতঃ এটির নিয়ন্ত্রণ নেবে।

রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রাইমিয়ান উপদ্বীপ দখল করে নেয় এবং কিয়েভের বাহিনী তখন থেকে ডনবাস অঞ্চলে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাথে লড়াই করছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি, শনিবার তার রাতের ভিডিও ভাষণে বলেছেন, রাশিয়ার সাথে এই যুদ্ধ ঠিক কতদিন চলবে তা কেউ জানে না। তবে তিনি বলেন, রাশিয়া অতি দ্রুত পূর্ব ইউক্রেনকে দখল করে নেবে, সবার এই প্রাথমিক ধারণাকে ইতিমধ্যে ভুল প্রমাণ করে দিয়েছে ইউক্রেনের বাহিনী।

তবে ইউক্রেনের প্রধান গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপ-প্রধান ভাদিম স্কিবিটস্কি বলেছেন, রাশিয়া যুদ্ধের পরিকল্পনা অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত, অর্থাৎ আরও চার মাস বাড়িয়েছে।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স এবং এপি থেকে নেয়া হয়েছে।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।