বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু



বাংলাদেশের পাবনা জেলার, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে (আরএনপিপি) কর্মরত এক রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১২ জুন) রাতে রুশ নাগরিকদের বসবাসের জন্য নির্মিত গ্রিনসিটির লিফটের সামনে তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মৃত ইভানভ এ্যান্টন (৩৩) প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রোশেম কোম্পানির ইন্সট্রলার এবং গ্রিনসিটির ২ নম্বর ভবনের ১২ তলার ১২৬নং ফ্লাটের বাসিন্দা।

ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার জানান, “রাতে ইভানভ গ্রিনসিটির পাশের একটি রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে রুমে ফেরার সময়, লিফট থেকে নেমে সেখানেই মারা যান। খবর পেয়ে ডাক্তার এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখনও মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

এ বছর রূপপুর পারমাণবিক কারখানার ৬ বিদেশি কর্মচারির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচ জন রাশিয়ার ও এক জন বেলারুশের নাগরিক রয়েছেন।

গত ২৮ জানুয়ারি ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বারচেনকো আলেক্সেইয়ের (৪৮)। ২ ফেব্রুয়ারি শাকিরভ আলেক্সেইয়ের (৪০) ঘুমের মধ্যে মৃত্যু হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রেস্ট রোসেম নামে রাশিয়ার সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার চুকিন পাভেল (৪৮) অসুস্থ হয়ে মারা যান।

একইদিন রাত ২টার দিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের এসএমইউ-১ নামে আরেকটি সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ইন্সটলার তলমাসেফ ভাইয়াসেলভের (৫৯), ১৪ তলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় নিচে পড়ে, ঘটনাস্থলেই মারা যান। এছাড়া গত ৬ ফেব্রুয়ারি বিকালে মারা গেছেন ভরতনিকভ আলেকজান্ডার (৪৫) নামে রাশিয়ার এক নাগরিক। তিনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের নিকিম এটোমস্ট্রয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

এদিকে, ১৫ এপ্রিল পাবনার রূপপুরে সাহাপুরের নতুন হাটে বিদেশি নাগরিকদের আবাসন প্রকল্প গ্রিনসিটি ভবনের একটি কক্ষ থেকে ইভানু মাকসিম (৫২) নামে এক বেলারুশের নাগরিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।