বৃষ্টিস্নাত ঢাকায় ফিফা ট্রফি এবং ‘কোক স্টুডিও কনসার্ট’



কোক স্টুডিও আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনেকদিন পর কনসার্টের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সঙ্গীতপ্রেমীদের মধ্যে। এরসঙ্গে চমক হিসেবে যোগ হয় ফিফা ট্রফি। তাই ঘোষণার শুরু থেকেই ছিল বেশ আলোচনা। নির্ধারিত হয়েছিল বৃহস্পতিবার (৯ জুন) বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে কোক স্টুডিওর কনসার্ট।

সকাল থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায়, শুরুতে বিপর্যস্ত হয় পুরো আয়োজন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মতামত আসতে থাকে। অনেকের ধারণা ছিল, কাঙ্খিত কনসার্টটি হয়তো আর দেখা হবে না। শেষ পর্যন্ত কারো আনন্দে ভাটা পড়েনি। রাত ৯টায় জ্বলে উঠে লাল-নীল মঞ্চ।

আয়োজনের শুরুতে দল নিয়ে মঞ্চে উঠেন অর্ণব। আর সঙ্গে ছিলেন সুনিধি নায়েক। রবীন্দ্রসঙ্গীত ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ’ দিয়ে শুরু হয় তাদের পারফরমেন্স। স্বস্তি আসে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে। তাদের হর্ষধ্বনিতে ভরে উঠে কনসার্ট প্রাঙ্গণ। বৃষ্টিস্নাত রাতে, সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠে সবাই।

অর্ণবের পর মঞ্চে দেখা দেন পান্থ কানাই ও অনিমেষ রায়। তাদের ‘নাসেক নাসেক’ ও ‘দোল দোল দুলুনি’ গান দুটির ফিউশনে মাঠ জমিয়ে তোলেন। কনসার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার যে উৎকন্ঠা ছিল, সেই রেশ ততক্ষণে কেটে গেছে।

নজরুলসঙ্গীত ‘বুলবুলি’ দিয়ে মঞ্চ মাতান ঋতুরাজ ও নন্দিতা। এরপর আবারও মঞ্চে উঠেন অর্ণব। এবার তার সঙ্গে ছিলেন বগা তালেব। তারা পরিবেশন করেন ‘চিলতে রোদে’ এবং ‘ও কি একবার আসিয়া’ গানের ফিউশন।

কনসার্টে দর্শকদের মাতামাতি যখন তুঙ্গে, তখন মঞ্চে উঠেন মিজান ও মমতাজ। শুরুতে মমতাজের অনুরোধে সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডির জন্য এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর মিজানের সঙ্গে মমতাজের ‘আল্লাহ মেঘ দে পানি দে’ ও ‘বাবা মাওলানা’র ফিউশনে আবারও মেতে উঠেন দর্শক।

কোক স্টুডিও কনসার্টের চমক হিসেবে ছিল ব্যান্ড লালন, নেমেসিস, তাহসান, ওয়ারফেজ, ইন্ট্রোয়েট,জালালি সেট ও নগরবাউল জেমস।

সবার পারফরমেন্স শেষে মঞ্চ উঠেন জেমস। ‘আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো’ দিয়ে শুরু করেন তিনি। কনসার্ট প্রাঙ্গণ তখন উত্তাল। জেমসের কণ্ঠে আরও শোনা যায় ‘দুষ্ট ছেলের দল’ ও ‘পাগলা হাওয়া’ গান দুটি। আর শেষ করেন হিন্দি গান ‘ভিগি ভিগি’ দিয়ে।

কোকাকোলাকে সঙ্গে নিয়ে পুরো আয়োজনটি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বিকালে ফিফা ট্রফি নিয়ে মঞ্চে উঠেছিলেন ফরাসি বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার ক্রিস্তিয়ান কারেম্বুক। তিনি জানান, “বৃষ্টির মধ্যেও পুরো আয়োজনের ব্যাপারে আমি সন্তষ্ট এবং সম্মানিত বোধ করছি।”



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।