ভারতের ধর্মীয় উত্তেজনার কারণে বয়কটের আহ্বান



ভারতে ধর্মীয় উত্তেজনা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল দেশের ভিতরে এবং বাইরে কিছু সক্রিয়বাদী ব্যক্তিকে ভারতীয় পণ্য এবং কাতার এয়ারওয়েজ বয়কটের আহ্বান জানাতে প্ররোচিত করেছে।

শুক্রবার, হাজার হাজার মুসলমান বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে মিছিল করেছে, অন্যান্য জিনিসের পাশাপাশি, মুসলিম দেশগুলিতে সমস্ত ভারতীয় পণ্য বর্জন করার জন্য স্লোগান দিয়েছে।

বাংলাদেশী ইসলামি দলের নেতা মৌলানা ইমতিয়াজ আলমকে উদ্ধৃত করে এসোসিয়েটেড প্রেস বলেছে, “বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় একত্রিত হয়েছে। আমরা গোটা বিশ্বকে ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে আহ্বান জানাই,”।

কাতারের কূটনৈতিক প্রতিবাদের বিরুদ্ধে, পৃথক আরেকটি প্রক্রিয়ায় কিছু হিন্দু কর্মী হ্যাশট্যাগ #boycottqatarairways ব্যবহার করেছে। সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সদস্যদের দ্বারা কথিত ইসলামফোবিক মন্তব্যের বিরুদ্ধে কাতার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলো।

ভারতের অভ্যন্তরে, শনিবার দেশের বিভিন্ন অংশে মুসলমানদের দ্বারা সপ্তাহব্যাপী বিক্ষোভে দুই মুসলিম কিশোর বন্দুকের গুলিতে মারা যাওয়ার পরে এবং বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার পরে পুলিশ শতাধিক লোককে গ্রেপ্তার করেছে।

ক্ষমতায় আরোহণের পর থেকে, বিজেপির নেতা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,হিন্দু-মুসলিম উত্তেজনা সৃষ্টির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন, যে অভিযোগ তিনি এবং তার সমর্থকরা বারবার প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ভারতের ১৩০ কোটি জনসংখ্যার প্রায় ১৪.২ শতাংশ জনগণ মুসলিম।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বয়কটের আহ্বান এবং ভারতের সাম্প্রতিক ধর্মীয় উত্তেজনায় মুসলিম দেশগুলোর কঠোর প্রতিক্রিয়া মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে নয়াদিল্লির বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা কম।

ভারত মুসলিম দেশগুলির সাথে, বিশেষ করে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) তেল সমৃদ্ধ দেশগুলির সাথে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফাইন্যান্স (আইআইএফ) অনুসারে, কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে ২০২০ সালে ভারতে জিসিসি বাণিজ্যের পরিমাণে বড় ধরনের মন্দা সত্ত্বেও, ভারতে জিসিসির রপ্তানি দ্রুত ৯৮০০ কোটি ডলার এবং ২০২১ সালে আমদানি ৪০০০ কোটি ডলার ছুঁয়েছে ।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।