মন্ত্রীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’র অভিযোগ, সিলেটে আইসিটি আইনে যুবক গ্রেপ্তার



বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদকে নিয়ে ‘কটূক্তি’ করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়ার অভিযোগে, আইসিটি আইনে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জৈন্তাপুর মডেল থানা-পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে সিলেট নগরের সোবহানিঘাট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার যুবকের নাম মনির আহমদ (৩৮)। তিনি জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের কারগ্রামের বাসিন্দা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার আইডির পরিচিতিতে তিনি নিজেকে জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

গত ৯ জুন, মনির আহমদ তার ফেসবুক আইডি থেকে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে একটি স্ট্যাটাস দেয়। ওই স্ট্যাটাসে মনির শতাধিক ব্যক্তিকে ট্যাগ করেন। শুক্রবার মনির আহমেদের ফেসবুক আইডিতে ওই পোস্ট আর পাওয়া যায়নি। তবে ওই ফেসবুক পোস্টের একটি স্ক্রিনশট পাওয়া গেছে।

সেই পোস্টে লেখা ছিল, “মন্ত্রী ইমরান আহমদ-এর ভয়ে শ্রীপুর আলুবাগানের আবদুল হান্নান-এর অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই, এদিকে আবদুল হান্নানের ছোট বইনের জামাই বেড়াতে আসছে শ্বশুরবাড়িতে, তাই অন্যায়ভাবে জৈন্তাপুর মডেল থানার পুলিশ ধরে নিয়ে চালান করলো সিলেট আদালতে।”

এ ঘটনায় জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা সাব্বির আহমদ রানা (২৬) বাদী হয়ে, জৈন্তাপুর মডেল থানায় সাইবার সিকিউরিটি ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা করেন। মামলার পর, জৈন্তাপুর মডেল থানা-পুলিশের একটি টিম সিলেট শহরের সোবহানিঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করে।

মামলার বাদী সাব্বির আহমদ বলেন, “মনির একটি গোষ্ঠীর মদদে মন্ত্রীর দীর্ঘদিনের অর্জিত সম্মান নষ্ট করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় আনতেই মামলা দায়ের করি।”

জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, “প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৮, ২৯ ও ৩১ ধারায় মনির আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় মনিরকে বিশেষ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।”



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।