মিয়ানমারে ব্যাপক মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকতে পারে: জাতিসংঘ



জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলে মিয়ানমারের জেনারেলদের জবাবদিহি করতে এবং দেশটিকে গণতান্ত্রিক শাসনে ফিরিয়ে আনার জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মিয়ানমারের পরিস্থিতি সম্পর্কে এক মৌখিক আপডেটে, তিনি কাউন্সিলকে বলেন, মিয়ানমারের জনগণের জীবন ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের পর থেকে, দেশটিতে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১,৯০০ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় দশ লাখ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামরিক অভ্যুত্থান মিয়ানমারের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়েছে, লাখ লাখ মানুষ তাদের চাকরি হারিয়েছে এবং ১.৪ কোটি মানুষের জরুরি মানবিক সহায়তার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, জান্তা বিভিন্ন জাতিগৌষ্ঠীগত রাজ্যে তাদের সামরিক অভিযান ও সহিংসতাকে তীব্রতর করেছে, বেসামরিক মানুষদের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে।

“স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায়ই আটক এবং কিছু ক্ষেত্রে জোরপূর্বক গুম করা হয়, কিংবা তাদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সামরিক বাহিনীর একটি প্রমাণিত সুনিপুণ কৌশল হল সমগ্র গ্রাম, আবাসিক ভবন, স্কুল, উপাসনালয় এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে বিশেষভাবে সুরক্ষিত অন্যান্য বস্তু পুড়িয়ে দেওয়া।”

তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবর্তন এখন সুদূর পরাহত।

হাইকমিশনার ব্যাচেলে সামরিক বাহিনীর বেপরোয়া সহিংস আচরণে লাগাম টেনে ধরার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে ব্যাপকভাবে অকার্যকর বলেও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, সহিংসতা রোধে টেকসই ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।

তবে, কাউন্সিলে উত্তর দেওয়ার অধিকার তুলে নেয়ায়, মিয়ানমার হাইকমিশনারের প্রতিবেদনের কোনও প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হয়নি। কারণ জাতিসংঘ মিয়ানমারের সামরিক নেতৃত্বের বৈধতা স্বীকার করে না।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।