রাশিয়ার তেল আমদানির সিংহভাগ নিষিদ্ধ করতে সম্মত হয়েছে ইইউ



ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফরেন পলিসি চিফ জোসেপ বোরেল মঙ্গলবার বলেছেন, রুশ তেল আমদানির সিংহভাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অর্থ হবে রাশিয়া “স্বল্প সংস্থান পাবে, যুদ্ধ চালিয়ে নেবার মতো অর্থের সংস্থান কম হবে”।

বোরেল বলেছেন, ইইউ রাশিয়াকে অন্য গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি করা থেকে বিরত রাখতে পারে না, ইউরোপীয় দেশগুলো রাশিয়ার “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লায়েন্ট” ছিল এবং তাদেরকে অপেক্ষাকৃত কম দাম গ্রহণ করতে হবে।

রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য একটি আপোষ চুক্তির অংশ হিসেবে সোমবার শেষার্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা রাশিয়ার তেল আমদানির দুই-তৃতীয়াংশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে সম্মত হন। রুশ তেল সরবরাহের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল কিছু ইইউ রাষ্ট্রের ওপর এর অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে।

নিষেধাজ্ঞার ফলে পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানি করা তেল বাদে সমুদ্রপথে সরবরাহ করা রুশ তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।

রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টাকে প্রতিহত করার অংশ হিসেবে ইউক্রেনের নেতারা দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার তেল আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়ে আসছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি সোমবার প্রথমার্ধে ইইউর সাথে আলাপের সময় তার এই আবেদনের পুনরাবৃত্তি করেন।

জার্মানির মতো দেশগুলো রুশ তেল আমদানি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এরই সাথে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট আরসুলা ভন ডার লেইন বলেন, চুক্তিটি “বছরের শেষ নাগাদ রাশিয়া থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯০ শতাংশ তেল আমদানি কার্যকরভাবে কমিয়ে দেবে।“

ইইউ নেতারাও ইউক্রেনকে দেশের অর্থনীতি ও পুনর্গঠন প্রচেষ্টার জন্য ৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছেন।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।