২৯ জুন বাজারে নতুন নোট ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক



আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আগামী ২৯ জুন থেকে পুরানো নোটের বিনিময়ে টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নোট বিনিময় চলবে আগামী ৭ জুলাই পর্যন্ত।

কর্মদিবসে ব্যাংকিং চলাকালীন যে কেউ একবার সমপরিমাণ টাকা বিনিময় করে ১০, ২০ ও ১০০ টাকার নতুন নোটের বান্ডিল সংগ্রহ করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক নোটে সিরিয়াল নম্বর দেবে, যাতে একই মানুষ একাধিকবার নতুন নোট সংগ্রহ করতে না পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম ইউএনবিকে জানান, জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা বিনিময়ের জন্য রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নোটের পরিমাণ বাড়ানো যেতে পারে।

ঢাকার মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন মূল্যের ধাতব মুদ্রাও সংগ্রহ করতে পারবেন।

এছাড়া নতুন নোটগুলো ব্যাংকগুলোর নিম্নোক্ত শাখাসমূহে পাওয়া যাবে- এনসিসি ব্যাংকের যাত্রাবাড়ী শাখা, জনতা ব্যাংকের আবদুল গণি রোড কর্পোরেট শাখা, অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেসক্লাব কর্পোরেট শাখা, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের মিরপুর শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখা, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের বসুন্ধরা সিটি শাখা (পান্থপথ), উত্তরা ব্যাংকের চক বাজার শাখা, সোনালী ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকা ব্যাংকের উত্তরা শাখা, আইএফআইসি ব্যাংকের গুলশান শাখা, ন্যাশনাল ব্যাংকের মহাখালী শাখা, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের মোহাম্মদপুর শাখা, জনতা ব্যাংকের রাজারবাগ শাখা, পূবালী ব্যাংকের সদরঘাট শাখা, সাউথইস্ট ব্যাংকের কাকরাইল শাখা, ওয়ান ব্যাংকের বাসাবো শাখা, ব্র্যাক ব্যাংকের শ্যামলী শাখা, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচার শাখা, দক্ষিণখান, দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখা, ব্যাংক এশিয়ার ধানমন্ডি শাখা, সিটি ব্যাংকের বেগম সারণী রোকেয়া শাখা, আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংকের নন্দীপাড়া শাখা, প্রাইম ব্যাংকের এলিফ্যান্ট রোড শাখা, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখা, এক্সিম ব্যাংকের শিমরাইল শাখা, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, ইউসিবিএলের গাজীপুর চৌরাস্তা শাখা, উত্তরা ব্যাংকের সাভার শাখা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সাভার শাখা এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের কেরানীগঞ্জ শাখা।



Source link

maria

এই যে, এই প্রবন্ধ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. আমি একজন ওয়েব ডেভেলপার, 10 বছর ধরে লিখছি, এবং একজন প্রযুক্তি প্রেমী।